লেবেল

মঙ্গলবার, ১ মার্চ, ২০১৬

অনেকে হয়তো ভাবছেন ফেসবুক আইডি পারমানেন্টলি ডিলিট করার জন্য এর আগে অনেক টিউন বা টিউন তো আছেই। তাহলে এটা নতুন করে আবার কেন দেওয়া হচ্ছে। হাঁ, এটা আপনার পিসির জন্য না, একমাত্র মোবাইল ফোনের জন্য।
গতকাল আমার একটি ফেসবুক আইডি মোবাইল ফোন থেকে ডিলেট করার জন্য অনেক চেষ্টা করলাম (www.facebook.com/help/delete_account) এ লিংক দিয়ে কিন্তু কোন ভাবে কাজ হয় না। পরে আমার বন্ধুর ফোন দিয়ে ও লিংক দিয়ে চেষ্টা করলাম কিন্তু কাজ হল না। তখন বুঝতে পারলাম এ লিংক শুধু মাত্র পিসি দিয়ে কাজ হয় এবং আমার পিসি দিয়ে যখন ডিলিট করলাম তখন কাজ হল। পরে মোবাইল ফোনের জন্য নিজে নিজে কিছু করার চেষ্টা করলাম। যদিও সহজ পদ্ধতি বা হয়তো আপনারা অনেকে জানেন তারপরও দেওয়া হল।
প্রথমে আপনার যে ফেসবুক আইডি ডিলেট করবেন সে আইডি টি login করুন। সাধারনত পেজের নিচে কয়েকটি অপশন থাকে তার ভিতর (Help) অপশনটি বাছাই করতে হবে। সেখানে অনেক গুলো Help তালিকা সহ একটা search box থাকবে ঐ search box এ 'delete account' লিখে search দিন। নিচে 'Delete Account' একটা অপশন আসবে, এখানে অনেকগুলো লেখা আসবে তার ভিতর দুটি লিংক থাকবে ১ম টি ’download a copy...’ আর ২য় টি 'let us know'। এখন আপনি ২য় ’let us know’ লিংকটিতে প্রবেশ করলেই একটি পেজ আসবে ও password চাইবে। password দিয়ে submit করলেই আপনার ফেসবুক আইডি ডিলেট হয়ে যাবে।
বি:দ্র: আপনার ফেসবুক আইডি পারমানেন্টলি ডিলিট হতে ১৪ দিন সময় নিবে। এ ১৪ দিনের ভিতর আপনি লগইন করে আপনার আইডি ফিরে পেতে পারেন। আর ফিরে পেতে না চাইলে আপনাকে ১৪ দিন অপেক্ষা করতে হবে। ১৪ দিন পরে ফেসবুক আইডি পারমানেন্টলি ডিলিট হয়ে যাবে।

সবার সুস্বাস্থ্য আর শুভকামনা দিয়ে শেষ করছি। ধন্যবাদ সবাইকে।
 নতুন কিছুু শিকতে আমাদের সাথে থাকুন

আপনি জানেন কি কোন কোন দেশে ফেসবুক বন্ধ? কেন বন্ধ? ফেসবুক সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য জেনে নিন।

বিভিন্ন সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বন্ধ করে দিয়েছে ফেসবুক। বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন দেশে প্রায়ই বন্ধ করা হয় সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুক। কোনো কোনো দেশ একদিনের মাথায় নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেও কোনো কোনো দেশে চিরস্থায়ীভাবেই বন্ধ করে দেওয়া হয় সামাজিক যোগাযোগের এই মাধ্যমকে। আবার চীনের মতো জনবহুল এবং প্রযুক্তিবান্ধব দেশ ফেসবুকের বিকল্প হিসেবে চালু করেছে নিজস্ব সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট। নানা দেশে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের ওপর নিষেধাজ্ঞা বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ইনডেক্স অন সেন্সরশিপ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। সেখানে বিভিন্ন দেশে ফেসবুক বন্ধের কারণ এবং সময়সীমা তুলে ধরা হয়েছে।
উত্তর কোরিয়া
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এমনিতেই রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব চলছে দেশটির। কখনো কখনো এই দ্বন্দ্ব গড়িয়েছে সাইবার যুদ্ধে। উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীন দলের নেতা কিম জং উন তার দেশে সব সময়ই ইন্টারনেট ব্যবহার সীমিত রেখেছেন। বিভিন্ন সময় আরোপ করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। মজার বিষয় হচ্ছে উত্তর কোরীয় নাগরিকরা সীমিতভাবে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পেলেও উত্তর কোরিয়ার অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকরা থ্রিজি ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহারের সুযোগ পান। উত্তর কোরিয়ায় আন্তযোগাযোগের জন্য সীমিত আকারে কোয়াংমিয়ং (Kwangmyong) নামের ইন্ট্রানেট ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। যদিও সেখানে শুধুমাত্র জন্মদিনের শুভেচ্ছা ছাড়া অন্য কিছু টিউন করার সুযোগ কম! পিয়ংইয়ং ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির কিছু শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকরা তাঁদের বিশেষায়িত ল্যাবে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পান। কিন্তু সরকারি বিধিনিষেধের কারণে সহসা কেউ সে সুযোগ কাজে লাগাতে চান না। ওয়াশিংটন টিউনের এক প্রতিবেদনে উত্তর কোরিয়ায় সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। সেখানে সোশ্যাল মিডিয়া গবেষক রামেস্ট শ্রিনিবাসন জানিয়েছেন, ‘উত্তর কোরিয়া হচ্ছে এমন একটা দেশ যেখানে প্রত্যেকটি কম্পিউটার বা প্রযুক্তিতে সরকারি নজরদারি রয়েছে। সফটওয়্যার থেকে হার্ডওয়্যার সবকিছুতেই সরকারি বিধিনিষেধ জারি আছে’।

ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের আরেক বিপক্ষ শক্তি ইরান। এই দেশেও বন্ধ রয়েছে ফেসবুক। তবে মজার বিষয় হচ্ছে সাধারণ জনগণের ফেসবুকে প্রবেশাধিকার না থাকলেও রাজনৈতিক নেতাদের ফেসবুক এবং টুইটার অ্যাকাউন্ট সক্রিয় রয়েছে। ইরানের সপ্তম এবং বর্তমান প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি ক্ষমতায় আসেন ২০১৩ সালে। নির্বাচনী প্রচারণায় সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করেছিলেন রুহানি। এমনকি তাঁর ফেসবুক এবং টুইটার দুটি অ্যাকাউন্ট এখনো সক্রিয়। সেখান থেকে ইরানি সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ এবং রাজনৈতিক খবরাখবর প্রচার করা হয়। যেহেতু দেশটিতে ফেসবুক এবং টুইটার বন্ধ রয়েছে, তাই রুহানিকে এসব সোশ্যাল মিডিয়া সাইট ব্যবহার করতে হয় প্রক্সি সার্ভার দিয়ে। ২০০৯ সালে নির্বাচনের সময় প্রথম বিরোধী দলের প্রচারণা ঠেকাতে ইরানে ফেসবুক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এ বছরের মে মাসে ইরান সরকার সর্বশেষ ঘোষণা দেয় যে, সহসা সোশ্যাল মিডিয়া খুলে দেওয়া হবে না।

চীন
‘দ্য গ্রেট ফায়ারওয়াল অব চায়না’ নামে  ইন্টারনেটের ওপর সেন্সরশিপ এবং নজরদারি বজায় রেখেছে চীনা সরকার। ২০০৯ সালে ‘উরুমকি দাঙ্গা’র পর ফেসবুক বন্ধ করে দেওয়া হয় চীনে। মুসলিম জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত চীনের স্বায়ত্তশাসিত উইঘুর অঞ্চলের রাজধানী উরুমকিতে ২০০৯ সালের ৫ জুলাই ছড়িয়ে পড়েছিল দাঙ্গা। বিচ্ছিন্নভাবে চলা সে দাঙ্গায় প্রাণ হারায় ১৯৭ জন। দাঙ্গার পরিকল্পনা এবং যোগাযোগে ফেসবুক ব্যবহার করা হচ্ছে এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সে সময় সারা দেশে ফেসবুক বন্ধ করে দেয় চীনা সরকার। এর পর থেকে বিভিন্ন সময়ে ইন্টারনেটের ওপর আরো কড়াকড়ি আরোপ করে চীনা সরকার। ২০১৩ সালে সীমিত আকারে সেই নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছিল চীনা সরকার। যদিও তা সাংহাইয়ের মুক্তবাণিজ্য এলাকার মাত্র ১৭ বর্গমাইলের মধ্যে। তবে বিদেশি সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট বন্ধ থাকলেও উইবো, রেনরেন, উইচ্যাটের মতো চীনা সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট এবং অ্যাপগুলো এখন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে চীনে। আর তাই ফেসবুক বা টুইটারের অভাব এখন আর তেমন বোধ করেন না চীনারা।

কিউবা
লাতিন আমেরিকার দেশ কিউবাতে সরকারিভাবে ঘোষণা দিয়ে ফেসবুক বন্ধ করা হয়নি। তবে ইন্টারনেট ব্যবহার করা সেখানে বেশ কষ্টসাধ্য এবং ব্যয়বহুল। শুধুমাত্র রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক এবং মেডিকেলে শিক্ষার্থীরা ঘরে বসে বৈধভাবে কিউবায় ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পেয়ে থাকেন। এর বাইরে সবাইকেই নির্ভর করতে হয় সাইবার ক্যাফের ওপর। সেখানে এক ঘণ্টা ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য গুনতে হয় ৬ থেকে ১০ ডলার। কিন্তু কিউবার মানুষের গড় আয় ২০ ডলার। তাই এত দাম দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার সেখানে বিলাসিতা হিসেবেই গণ্য করা হয়। আর এত টাকা খরচ করে সাইবার ক্যাফেতে বসলেও ধীরগতির সংযোগের কারণে পুরো টাকাটাই জলে যায় ব্যবহারকারীদের। আর এভাবেই ইন্টারনেট-বিচ্ছিন্ন জীবনযাপন করছেন কিউবানরা।

মিসর
২০১১ সালে প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারকের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের সময় সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। যাতে এর মাধ্যমে আন্দোলনকারীরা সংগঠিত হতে না পারেন। এ ছাড়া আন্দোলন সম্পর্কে যাতে বিদেশিরা জানতে না পারেন সে জন্য মিসরীয় সাইটগুলো যাতে বিদেশ থেকে দেখা না যায় সে ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তবে প্রক্সি সার্ভিস ব্যবহার করে আন্দোলনকারীরা ইউটিউব, হটমেইল, গুগল ব্যবহার করে আন্দোলন বেগবান রেখেছিলেন এবং হোসনি মোবারকের পতন ঘটেছিল। এরপর অবশ্য ফেসবুক এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলো খুলে দেওয়া হয়।

সিরিয়া
২০০৭ সালে প্রথম সিরিয়াতে সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। বাসার আল আসাদের সরকার আশঙ্কা করেছিল এসব সাইট ব্যবহার করে ইসরায়েলি গোয়েন্দারা বাসার সরকারবিরোধী প্রোপাগান্ডা চালাতে পারে। ২০১১ সালে অবশ্য প্রেসিডেন্ট আসাদ নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছিলেন। ততদিনে অবশ্য মিসর ও তিউনিশিয়ার মতো সিরিয়াতেও সরকারবিরোধী আন্দোলন শুরু হয়ে যায়। সরকারিভাবে চার বছর বন্ধ থাকলেও সে সময়ে প্রক্সি সার্ভারের মাধ্যমে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলো ব্যবহার করেছিলেন সিরিয়ার নাগরিকরা।

মরিশাস
আফ্রিকার দেশ মরিশাসেও একদিনের জন্য ফেসবুক বন্ধ করা হয়েছিল। কারণটা ছিল বেশ মজার। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নাভিন রামগুলামের নামে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে কে বা কারা একের পর এক টিউন দিয়ে যাচ্ছিল। এই অপপ্রচার রুখতে ২০০৭ সালে সারা দেশে বন্ধ করে দেওয়া হয় ফেসবুক। অবশ্য কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে সেদিনই আবার ফেসবুক খুলে দেওয়া হয়েছিল। পাকিস্তান আপত্তিকর কার্টুন ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ২০১০ সালে দুই সপ্তাহ ফেসবুক বন্ধ রাখা হয়েছিল পাকিস্তানে। পরে সে নিষেধাজ্ঞা তুলে ফেলা হলেও ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ায় এমন সব পেজ বিভিন্ন সময় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

ভিয়েতনাম
২০০৯ সালের নভেম্বরে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটিতে ফেসবুক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। যদিও সরকারিভাবে কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়নি। তবে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সরকারি গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ফাঁস হয়ে যাওয়ায় প্রযুক্তিবিদদের দিয়ে ফেসবুক বন্ধ করে দিয়েছিল দেশটির সরকার। যদিও দেশটির সরকার কখনোই এ ধরনের কোনো আদেশ দেওয়ার কথা স্বীকার করেনি। এরপরও বিভিন্ন সময়ে সরকারি ঘোষণা ছাড়াই ইন্টারনেট এবং ফেসবুক ব্যবহার সীমিত করা হয়েছে দেশটিতে। ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বের ভিয়েতনাম সরকার ‘ডিক্রি ৭২’ জারি করে যেখানে বলা হয়, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলো।

শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

ফেসবুক রিএকশান : কেনো মার্ক ডিসলাইক(Dislike) বাটনের বদলে এটি দিল


ফেসবুক পাঁচটি নতুন বোতাম চালু করেছে যা ফেসবুক রিএকশান (Facebook Reactions) নামে পরিচিত। তারা ফেসবুকে ডিসলাইক বাটন (Dislike) বাটনের  বদলে এটি চালু করেছে। অথচ সবাইক ডিসলাইক বাটনই চেয়েছিল

ফেসবুক রিএকশান (Facebook Reactions)  কি ?

ফেসবুক রিএকশান আপনাকে শুধু লাইক দেয়া ছাড়া আরো অনেক সুবিধা দিয়ে থাকে . উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনার একজন বন্ধুর ব্রেকাপ হয়  অথবা ফেরার পথে তাদের গাড়ী গুড়িয়ে যায়,তাহলে এটাতে লাইক দিলে খুব খারাপ দেখাবে, এবং  হতে পারে আপনি টিউমেন্ট করতে চাচ্ছেন না এখানে ফলে  আপনি আর  কিছুই করছেন শেষ পর্যন্ত, এবং আপনার বন্ধু কখনই জানতে পারবেনা যে  আপনি তাদের টিউন দেখেছেন এবং তাদের সম্পর্কে চিন্তা করছেন।

সাইটটি  ফেসবুক রিএকশান (Facebook Reactions) চালু করেছে, যার সাহায্যে ব্যবহারকারীরা "দুঃখ" এবং "রাগ " সহ পাঁচটি নতুন উপায়ে প্রতিক্রিয়া করতে পারবে . কিন্তু এটা বছর ধরে-আকাঙক্ষিত সবার চাওয়া  ডিসলাইক বোতামটি  চালু করেনি কিন্তু পুরোনো লাইক বাটনটি ঠিকি রেখেছে।



 ফেসবুক রিএকশান (Facebook Reactions) ব্যবহার করে আপনি কি কি করতে পারবেন ?

এখানে ছয়টি রিএকশান আছে যা আপনি আপাতত ব্যবহার করতে পারবেন:

  • Like : এটি পুরোনো লাইক বাটনের মতই যেটা আমরা অনেক আগে থেকেই ব্যবহার করছি

  • Love : লাল  বৃত্তের মধ্যে সাদা একটি হার্ট, এটা দিয়ে আপনি বুঝাতে পারবেন একজন লাইক এর থেকেও বেশি কিছু পাওয়ার যোগ্য

  • Ha-ha: লোল শব্দটার বদলে এটি চমতকার ভাবে ব্যাভয়ার করা যায়, এটি দিয়ে বন্ধুকে বোঝাতে পারবেন তার টিউন যে কতটা হাসির

  • Wow: অবাক হয়ে যাওয়া একটি মুখ দেখা যায় এখানে।

  • Sad: কাওকে বাহবা দেখানোর জন্য এটি চমৎকার একটি ফিচার

  • Angry: টিউনের প্রতি আপনার রাগ দেখানোর জন্য এটি ব্যবহার করতে পারেন। ডিসলাইক বাটনের বদলে এটিও ব্যবহার করতে পারেন। অনেকেই করছে 😛

মার্ক জুকারবারগ বলেছেন যে

"আপনি প্রতিটা মুহূর্তে সুখের জিনিস শেয়ার করতে চাননা "

" মাঝে মধ্যে আপনি কিছু দুঃখের ও কষ্টের জিনিস শেয়ার করতে চান। আমাদের কমিউনিটি বেশ কয়েকবছর ধরে একটি ডিসলাইক বাটন চাচ্ছিল। কিন্তু এজন্য চাচ্ছিলনা যাতে বন্ধুকে বলতে পারে আমার কাছে তোমার টিউন পছন্দ হয়নি


"মানুষ তাদের সহানুভূতি প্রকাশ করতে চায় এবং তাদের আবেগ প্রকাশ করতে চায়।

মানুষ আসলে একটি টিউন সম্পর্কে নেতিবাচক অনুভূতি প্রকাশ করতে চায়না,তিনি বলেছেন, কিন্তু এর পরিবর্তে তারা একটি উপায় চায় যা দ্বারা তারা একটি টিউনের ব্যাপারে দুঃখ প্রকাশ করতে পারবে

এর ফলে নতুন আপডেট চালু করা হয়েছে যা দ্বারা আপনি টিউনের ব্যাপারে আপনার অনুভুতি শেয়ার করতে পারবেন

যারা এখনো জানেন না কিভাবে  ফেসবুক রিএকশান (Facebook Reactions) ব্যবহার করবেন  তারা দেখেন নিন কিভাবে এটা ব্যবহার করবেন

এন্ডইড ফোনের ক্ষেত্রে 

  • ফেসবুকে এপ্লিকেশানে লগিন করুন

  • লাইক বাটনটি ধরে রাখুন আর যেকোনো রিএকশান ক্লিক করে ছেড়ে দিন আপনার বন্ধুর জন্য

ওয়েবের ক্ষেত্রে 

  • লাইক বাটনটির উপর মাউস পয়েন্টার টি রাখুন 

  • এতে ফেসবুক রিএকশান ভেসে উঠবে 

  • আপনার পছন্দমত যেকোনো রিএকশান সিলেক্ট করুন   


  •  

এত  সুবিধা দিল ফেসবুক কিন্তু এখন লাইক মি স্ট্যাটাস মেরে বেড়ায় এখন তারা কি করবে 😛 ?

আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না। আজকে এতটুকুই। কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ :)


শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

এবার আপনার হাতের স্মার্টফোন দিয়েই মনের মাধুরি মিশেয়ে ছবি অংকন করুন

সুপ্রিয় পাঠক বৃন্দ, কেমন আছেন সবাই ?? আজ আপনাদের সামনে হাজির হলাম আমার আর একটি টিউন  নিয়ে, এবারের টিউন এর মূল বিষয় হল ছবি আকা, হ্যা শিরোনাম দেখে প্রথমেই বুঝতে পেরেছেন যে ছবি আকা হবে এবার আপনার পছন্দের স্মার্ট ফেনেই। অনেক দিন থেকে অ্যাপস টি খুজে ছিলাম। আজ অনেক ঘাটাঘাটি করে পেয়েও গেলাম এবং অ্যাপস টি ইনস্টল করেই একটু ছবিও আকলাম। অতপর ভাবলাম অ্যাপস টি সকলের সাথে শেয়ার করা দরকার তাই তো বসে পরলাম টিউন টি লিখতে। কেননা এই সাইটের পাঠকদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন যারা ভাল ভাল ছবি আকতে পারেন কাগাজে কলমে তো এতদিন অনেক ছবি আকলেন এবার ডিজিটাল যুগেও আর কত কাগজে কলমে ছবি আকবেন? আসুন এবার ছবি আকি নিজই স্মার্টফোনেই।
কি চিন্তায় আছেন নাকি অ্যাপসটি কিভাবে ব্যবহার করবেন এ নিয়ে?? কারণ ছবি আকার জন্য অনেক হাতিয়ার (টুলস্) এবং কালারের প্রয়োজন হয়, চিন্তার কোন প্রকার কারণ নেই এখানে সকল বিষয় সাজানো গুছানো রয়েছে আর এখানে আপনার ছবিতে ব্যবহার করার মত সকল রং এর এক বিশাল সমাহার তো থাকছেই।  সেই সাথে বাচ্চারা যাতে ছবি আকতে পারে সেইজন্য কার্টুন, পশু পাখি গাড়ি নানা প্রকার কিছু ছবি সংযোজন করা হয়েছে উক্ত এপ এ। আঁকার ক্ষেত্রে লাইন বাই লাইন তুলে ধরা হয়েছে। রংয়ের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে। এটি অফলাইনেও কাজ করবে। তাই ইন্টারনেটের ঝামেলা ছাড়া অ্যাপটি ব্যবহার করা যাবে। তাই অতি চমৎকার এই এপটি নিচের ডাওনলোড লিংকে ক্লিক করে ডাওনলোড করতে পারেন। আর ছবি অংকন করুন আপনার স্মার্টফোনে।
Note- ডাউনলোডের জন্য ফোনের Uc ব্রাউজার ব্যবহার  করুন।উপরের  লিংকে ক্লিক করে যে পেইজ ওপেন হবে সেখানে download বাটনের নিচে Download Using Our Secure Download Manager একটি লেখা আছে যার বামে একটি টিক চিহ্ন দেওয়া আছে।ঐ টিক চিহ্ন টি ক্লিক করে তুলে দিন এবং download বাটনে ক্লিক করুন। অন্যকোন পেইজে চলে গেলে সেই পেইজ টি কেটে দিয়ে download বাটনে পুনরায় ক্লিক করলে download শুরু হবে।

বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

420 বা ৪২০ এই ডিজিট দ্বারা কি বুঝায়?

সাধারনত দুষ্টু প্রকৃতির কাউকে উদ্দেশ্য করে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এই 420 এর উৎপত্তি কোথা থেকে?

বাংলার চারশ বিশ বা ইংরেজীর ফোর টোয়েন্টি হল প্রতারনার অভিযোগে অভিযুক্ত করার আইনের ধারা। কিন্তু এই সংখ্যাটা গাঁজা সেবনের সাথে জড়িয়ে আছে ৪০ বছরের ও বেশী সময় ধরে আমেরিকা কানাডা এবং পশ্চিমা বিশ্বের কোথাও কোথাও। 


বৃটেন এবং আমেরিকার প্রচলিত প্রথা এবং নিয়ম নীতির কিছু পার্থক্য চোখে পড়ার মত। যেমন তারিখ লেখার ক্ষেত্রে দিন প্রথমে, মাস মাঝ খানে, এবং সব শেষে বছর লেখা – এই নিয়ম টা চালু আছে বৃটেনে এবং প্রাক্তন বৃটীশ কলোণীর দেশগুলোতে। কিন্তু আমেরিকা , কানাডাতে এবং আরো অনেক দেশে প্রথমে মাস সংখ্যা , মাঝখানে দিন এবং শেষে বছর লেখা হয়। আজ ২০ শে এপ্রিল । বৃটেন এবং আমাদের দেশে ২০/৪/২০১২ লেখা হলেও আমেরিকা কানাডা তে লেখা হয় ৪/২০/ ২০১২। 


প্রতি বছর উত্তর আমেরিকার দেশ যুক্তরাস্ট্র এবং কানাডাতে ২০শে এপ্রিল পালিত হয় বিশেষ দিন হিসেবে। ২০শে এপ্রিল বা ৪/২০ এখন হয়ে দাড়িয়েছে ৪২০, এই দিনে আমেরিকা, কানাডার বিভিন্ন শহরে বিভিন্ন পেশা এবং নেশার লোকেরা সমবেত হন গাজা খাওয়ার উৎসবে এবং গাজা খাওয়াকে বৈধতা দেওয়ার দাবী জানাতে। ৪/২০ তারিখের বিকাল ৪-২০ মিনিটে শুরু হয় গাঁজা খাওয়া। 


উতপত্তি- গাজা খাওয়া বা গঞ্জিকা সেবন রাস্তাফারিয়ান ধর্মের অবিচ্ছেদ্য অংগ । রাস্তাফারিয়ান ধর্মের অনুসারী বিশ্বনন্দিত সঙ্গীত শিল্পী বব মার্লির সাথে ৪২০ সংখ্যার কোন সম্পর্ক নেই। ২০শে এপ্রিল তার মৃত্যু দিন বা জন্ম দিন কোনটাই নয়। ৪২০ সংখ্যা গাজা নিষিদ্ধ বা বৈধ করা কোন আইনের ধারাও নয়। তবুও গাজার সাথে ৪২০ সংখ্যা আজ অবিচ্ছেদ্য। এপ্রিলের ২০ তারিখ ৪/২০ বা বিকেল ৪ঃ ২০ হিসেবে ও লেখা হয়ে থাকে । গাজার বৈধতা দাবীর দিন ২০ এপ্রিলকে গাজা দিবস বা "Marijuana Appreciation Day." হিসেবে পালিত হয়ে আসছে ১৯৭১ সাল থেকে।

 সান রাফায়েল স্কুলে লুই পাস্তুরের মুর্তি। 

আজ থেকে ৪১ বছর আগে ১৯৭১ সালে আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার সান রাফায়েল হাই স্কুলের কয়েকজন কিশোর ছাত্র বিকেল ৪ টা বিশ মিনিটে একত্রে বসে গাজা খেত লুই পাস্তুরের মুর্তির পাদদেশে । তারা এত নিয়ম মাফিক এই কাজটা করত যে বিকেল ৪টা ২০ মিনিট বা ৪২০ সংখ্যা তাদের নিজেদের মধ্যে গাঁজা খাওয়ার সাঙ্কেতিক সংখ্যা হিসেবে পরিচিতি লাভ করল। পোস্টারে, বিজ্ঞাপনে ৪২০ সংখ্যা থাকলেই সবাই বুঝে নিত যে গাজা খাওয়ার ব্যবস্থা আছে । অল্প কিছুদিনের মধ্যে ৪২০ স্কুলে , এবং আরো কিছু দিন পর সারা ক্যালিফোর্নিয়া হয়ে আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়ল। আজ পালিত হচ্ছে ৪১ তম ২০ শে এপ্রিল গাজা খাওয়ার উৎসবের দিন। 

কানাডাতে গাজা উৎসব পালিত হল আজ। টরন্টোর ডান্ডাস স্কোয়ার, ভ্যাঙ্কুভারের আর্ট গ্যালারীর সামনের মাঠে , মন্ট্রিলের রয়াল মাউন্টেন এবং অটোয়ার পার্লামেন্ট হিলে আজ সমবেত হয়েছিল গঞ্জিকা সেবীরা। কানাডা ব্রডকাস্টিং কর্পরেশান বা সি,বি,সি’র খবরে বলা হয় এবছর অটোয়ার পার্লামেন্ট হিলে ৫ থেকে ৬ হাজার লোক সমবেত হয়েছিল গাজা উৎসবে । ভ্যাঙ্কুভারের গাজা সেবীদের রয়েছে নিজস্ব ওয়েবসাইট http://www.420vancouver.com 

আমেরিকাতে অনান্য বছরের মত গাঁজা উৎসব পালিত হল সান ফ্রান্সিসকোর গোল্ডেন গেট পার্কে, কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের বোল্ডার ক্যাম্পাসে। নিউজিল্যান্ডের ওটাগ বিশ্ব বিদ্যালয় এবং অকল্যান্ডে। আমেরিকাতে সবচে বড় হল কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের গাঁজা উৎসব। ২০১০ সালে ১০, ০০০ লোক জমা হয়েছিল এই গাঁজা উৎসবে এবছর তা ১১ হাজার ছাড়িয়ে যাবে।  

আমেরিকার কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের গাঁজা উৎসব। 


বাংলাদেশে গাঁজা উৎসব- বিভিন্ন মাজার, সাধু সন্তদের আখড়ার মেলাতে গাজা খাওয়ার রেওয়াজ আছে। বগুড়ার মহাস্থান গড়ের বাৎসরিক গাঁজা উৎসব পালিত হয় ফাল্গুন মাসের শেষ শুক্রবারে। ঐদিন এখানে ৪০ মন পর্যন্ত গাঁজা খাওয়া হতশুনেছি আজকাল প্রশাসনের বাধার কারনে সে মেলা আর বসে না। সিলেটের শাহ জালালের মাজারের ওরসে, এবং কুস্টিয়ার লালন মেলায় বসা গাঁজা মেলা স্বচক্ষে দেখা। রাজশাহী শহরের অদুরের খেতুরের মেলাও গাঁজা সেবনের জন্য বিখ্যাত মেলা।

ডাউনলোড করে নিন জনপ্রিয় একটি গেমস GTA San Andreas তাও আবার মাত্র ৩ মেগাবাইট (হাইলি কম্প্রেস)।

আসসালামু আলাইকুম। আপনারা সকলে
কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালই আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি। আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো জনপ্রিয় একটি গেমস GTA San Andreas।
GTA San Andreas একটি বিশ্ব বিখ্যাত গেম যা এন্ড্রয়েড, আইওএস ও পিসিতে খেলা যায়। এটি ভাইস সিটির পরের সৎস্করণ যা ভাইস সিটি থেকে অনেক উন্নত। এই গেমটিতে রয়েছে ১০০ উপর মিশন, শত রকমের গাড়ি, প্লেন, জাহাজ, পাহাড়, ট্রেন, নদী আরও অনেক কিছু যা বলে শেষ করা যাবে না। যারা গেমটি খেলেছেন তারা বলতে পারবেন। এন্ড্রয়েডের জন্য গেমটির সাইজ ২.৫ জিবির মত কিন্তু আমি নিয়ে এলাম হাইলি কম্প্রেস যা Extract করার আগে ৩.৭৩ এমবি এবৎ Extract করার পর ২.৫ জিবির মত হয়ে যাবে।
যেভাবে ইনষ্টল করবেন :
প্রথমে নিচ থেকে ৩.৭৩ এমবির ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন।

ডাউনলোড লিঙ্ক -  এখানে ক্লিক করুন। 

ডাউনলোড হয়ে গেলে ফাইলটি ES File xplorer বা Zarchiver pro দিয়ে Extract করুন। পাসওয়ার্ড দিবেন RI+Fahad। Extract হবার পর com.rockstargames.gtasa ফোল্ডারটি Android - Obb ফোল্ডারে রেখে .apk ফাইলটি ইনষ্টল করে গেমটি উপভোগ করুন।
গেমটির কিছু স্ক্রীনসট দেখে নিন

গেমটির ডিজাইন এবং গ্রাফিক্স অসাধারন। এটি এমন একটি গেম জাতে পাবেন এমন একটি গেম যাতে ১০০ + মিসন রয়েছে। গেমটি ৫১২ Ram এর ফোন দিয়েই আরামে খেলতে পারবেন, আর Ram বেশী হলে তো কোন কথাই নাই।
আর এই গেম টা আপনাদের কাছে খেলতে কেমন লাগছে জানালে খুশি হবো।
কারো কিছু বলার থাকলে বা সমস্যা হলে টিউমেন্ট করুন। তো বন্ধুরা আজ কে এই পর্যন্ত আবার অন্য কোনো দিন হাজির হব অন্য কোনো টিউন নিয়ে সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।
ভালো থাকুন, আবার দেখা হবে পরবর্তী টিউনে। সেখানে নতুন কিছু নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করব।

বুধবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

Turn off or Disable Automatic App Updates in Windows 8.1

You will be required to log in to your Windows PC with your Microsoft Account. This is a must as some services like this one depend on the Microsoft Account. Once this condition is met, open Windows Store by clicking on its Tile on your Start Screen. Next open the Charms Bar and click on Settings. Now click on App updates.

windows 8.1 app updates
Here you will see the setting: Automatically update my apps.
turn off automatic app updates windows 8.1
It will be enabled by default. If you wish to turn off or disable automatic updates to your Windows apps, select No.
If you do not use a Microsoft Account but a Local account on your PC, you can disable automatic updating feature via Group Policy – if your version of Windows 8 has it.

To do so, open Run, type gpedit.msc and hit Enter.
Next navigate to the following:
Computer Configuration\Administrative Templates\Windows Components\Store
disable automatic update windows apps 1
In the right pane, double-click on Turn off Automatic Download of updates on Win8 machines to configure its settings.
automatic app updates windows 8.1
Select Enabled. Click Apply and Exit.
Finally you  removed Windows store

Turn off Windows Store application

Using Group Policy Editor
To disable access to or turn off the Windows Store, type gpedit.msc in Run box and hit Enter to open the Local Group Policy Editor. Navigate to the following setting:
Computer Configuration > Administartive Templates > Windows Components > Store
turn off Windows Store
Here, in the right pane, you will see the setting Turn off the Store application.
Double-click on it to open the Settings box, select Enabled and clicked Apply.

This setting denies or allows access to the Store application. If you enable this setting, access to the Store application is denied. Access to the Store is required for installing app updates. If you disable or don’t configure this setting, access to the Store application is allowed.
Exit Group Policy Editor.
Using Registry Editor
If your version of Windows 8 does not have the Group Policy Editor, Run regedit and hit Enter to open the Registry Editor. Navigate to the following registry key:
HKEY_LOCAL_MACHINE\SOFTWARE\Policies\Microsoft\WindowsStore
Create a new DWORD value in the WindowsStore key. Name it RemoveWindowsStore and give it a value of 1. If theWindowsStore key does no exist, create it, first.
Restart your Windows 8.1 computer.
You will have disabled the Windows Store application, and if anyone tried to open it, they will receive the following message:
Windows Store isn’t available on this PC. Contact your system administrator for more informatio